শিরোনাম :

10/trending/recent

Hot Widget

অনুসন্ধান ফলাফল পেতে এখানে টাইপ করুন !

Ads

সুজনের চোখ রাঙানি, ওয়াসিমের গায়ে বাউন্সার মারার ‍হুমকি!



সুজনের চোখ রাঙানি, ওয়াসিমের গায়ে বাউন্সার মারার ‍হুমকি!

ক্রীড়া প্রতিবেদক
হার না মানা মনোবলের কারণে খালেদ মাহমুদ সুজনকে বলা হয় ফাইটার। হারার আগে কখনো হারেন না তিনি। সীমিত সামর্থ্য দিয়ে কিভাবে বুক চিতিয়ে লড়াই করতে হয় তা করে দেখিয়েছেন সুজন। কখনো সফল হয়েছেন, কখনো ব্যর্থ। ব্যর্থতাকে গায়ে মাখেননি। বরং নতুন করে লড়াইয়ের প্রেরণা পেয়েছেন।
বাংলাদেশের হয়ে যখন তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় তখন লাল-সবুজকে অবমূল্যায়ন করতেন অনেকেই। কিন্তু সবুজ গালিচায় সুজনরা কড়া ভাষায় দিতেন জবাব। চোখে চোখ রেখে বলতেন কথা। তেমনই এক ঘটনা ঘটেছিল ’৯৯ বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের এশিয়া কাপে। যেখানে সুজনের সঙ্গে লেগেছিল পাকিস্তানের গ্রেট ওয়াসিম আকরামের।
রোববার রাতে তামিম ইকবালের লাইভ আড্ডায় যোগ দিয়ে সুজন সেই গল্প শোনান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন দুই অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দূর্জয় ও হাবিবুল বাশার সুমন।
সুজন বলেন,‘১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ম্যাচে আমি ৩ উইকেট পেয়ে গেছি। ওরা তখন চাপে। সে সময় আমাদের হারানোর কিছুই ছিলো না। ওয়াসিম আকরাম আমার একটা ওভার খেলেছিল। ওই ওভারে একটা চারও খেয়েছিলাম স্ট্রেইট ড্রাইভে। ওভারের প্রথম বল থেকে আমি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়েছিলাম।’
‘এর একটা কারণও ছিল, আমাদের একজন বোলিং কোচ ছিল...নাম ভুলে গেছি। আসলে তাঁর সামনে একদিন আমি নেটে শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুতকে বোলিং করছিলাম। বিদ্যুৎ একটা দারুণ শট করেছিল। আমি তাকে বলছিলাম গুড শট। তখন কোচ আমাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি কী ম্যাচে গিয়ে এরকম বলবা? আমি তাকে বললাম, না অসম্ভব। তখন সে আমাকে বললো, ব্যাটসম্যানকে বোলিং করে গালি দেওয়া দরকার নাই তুমি শুধু চোখ গরম কইরো।’
‘আমি সেটাই ওয়াসিম আকরামের দিকে ব্যবহার করেছি। তাকে চোখ রাঙানি দিয়েছিলাম।তখন সে আমাকে গালি দিছে। বলছে, এই তুমি আমার দিকে তাকাইলা ক্যানো! তুমি তো ছোট। তারপর আমি আবার করেছি আর আমাকে আবার গালি দিয়েছিল। তখন আকরাম ভাইকে এসে বিচার দিয়েছিল ও। মনে আছে বলেছিল,আকরাম তোমাদের ছোটু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি আর কিছু বললাম না।’
‘পরের ওভারে এসে নান্নু ভাইয়ের ওভারে আউট হয়ে-ই গেলো। পরের বছর পাকিস্তানের সাথে আমাদের ঢাকায় খেলা এশিয়া কাপ। আমি, পাইলট, দূর্জয় সবাই তো পরপর যাই (ব্যাটিং)। তো দূর্জয় ছয়ে, আমি বা পাইলট সাতে বা আটে। আমি সাতে ছিলাম আর দূর্জয় ছয়ে ছিলো মনে নেই। আমরা তাড়াতাড়ি আউট হয়ে গেলাম। আমি রাজ্জাকের ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে ফিরে আসি।’
‘পরে পাইলট ব্যাটিংয়ে গেলে ওকে ওয়াসিম জিজ্ঞেস করে, এই তোমাদের ছোট কই? সে কী আজ খেলছে না? তো পাইলট বললো, ও তো আউট হয়ে চলে গেছে। তখন সে বলে, কখন আউট হয়েছে? ওকে তো আউট করার কোনো পরিকল্পনা ছিলো না। ওকে তো বাউন্সার মারার পরিকল্পনা ছিল। আসলে আমাকে গায়ে মারার পরিকল্পনা করেছিল ওয়াসিম। আসলে তাদের সাথে আমার প্রতিদিন মাঠে লাগতো। গালাগালি প্রতিদিন আমরা মাঠে করতাম।’


ঢাকা/ইয়াসিন



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2WMmJTs
via IFTTT

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Section