শিরোনাম :

10/trending/recent

Hot Widget

অনুসন্ধান ফলাফল পেতে এখানে টাইপ করুন !

করোনা: সামনে কী হতে পারে?



করোনা: সামনে কী হতে পারে?

আরিফ সাওন
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এখন আক্রান্তের দশম সপ্তাহ চলেছে। অষ্টম সপ্তাহ থেকে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ‌্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২৬ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত অষ্টম সপ্তাহে শনাক্ত হয় তিন হাজার ৭৯২ জন, সুস্থ ৬৪ জন এবং মৃত্যু হয় ৩৫ জনের।
৩ মে থেকে ৯ মে পর্যন্ত নবম সপ্তাহে শনাক্ত হয় চার হাজার ৯৮০ জন, সুস্থ হয় দুই হাজার ৩৩৭ জন এবং মৃত্যু হয় ৩৯ জনের।
দশম সপ্তাহের আরো কিছু দিন বাকি আছে। ইতো মধ‌্যে সপ্তাহটিতে সনাক্ত হয়েছে ছয় হাজার ২৯৫ জন, ‍সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৪৬৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের।
দিন যতই যাচ্ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ততই বাড়ছে। সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিশেষজ্ঞরা অনুমান করেছেন যে মে মাসে অন্তত ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন এবং এক হাজারের মতো মারা যেতে পারেন।’
‘সামনে করোনা পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে?’ জানতে চাইলে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘ভয়াবহতা তো অনুমান করা মুশকিল। আমরা যদি বিভিন্ন গ্লোবাল বিশেষজ্ঞের বক্তব্য লক্ষ করি, আমেরিকা বা ডাব্লিউএইচও- তারা কিন্তু ইঙ্গিত দিচ্ছেন ভয়াবহ পরিস্থিতির। সেখান থেকে বিশেষজ্ঞ মতামত হিসেবে ব্যতিক্রমী মতামত দেওয়া তো মুশকিল।’
‘মার্কেট খুলে দেওয়া বা লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত সঠিক কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত ঠিক হচ্ছে কি না সেটা বলা মুশকিল। তবে পদ্ধতিটা ঠিক হচ্ছে না।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘আমরা সাঁতার না জেনেই সমুদ্রে লাফ দিচ্ছি। যেকারণে দিন দিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়তেই থাকবে।’
তারা মনে করেন, সাধারণ ছুটি দিয়ে লকডাউন শিথিল করা, সীমিত পরিসরে মার্কেট খুলে দেওয়া এসব আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। তারা এখনই কারফিউ জারির তাগিদ দিচ্ছেন। কন্ট্রোল না করা গেলে ম্যাসাকার অবস্থার আশঙ্কা করছেন তারা।
অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে সংক্রমণ রোধ করা।’
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সুলতানা শাহানা বানু বলেন, ‘আমি বলব ঘরে থাকুন, ঘরে থাকুন এবং ঘরে থাকুন। স্বাভাবিক নিয়মগুলা মেনে চলতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, সেনিটাইজ করা, মাস্ক ব্যবহার করা, ফল ফলাদি ভালোভাবে ধুয়ে বা উপরের অংশ ছিলে ফেলে খেতে হবে। সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক-গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে।’
শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮ পর্যন্ত দেশে ২০ হাজার ৬৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৯৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৩৮৮২ জন।

ঢাকা/সনি


from Risingbd Bangla News https://ift.tt/364lrrc
via IFTTT

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad