শিরোনাম:

10/trending/recent

Hot Widget

অনুসন্ধান ফলাফল পেতে এখানে টাইপ করুন !

দুর্গাপুরে বোরো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক

তোবারক হোসেন খোকন, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় মাঘ মাসের শুরুতেই ঘনকুয়াশা, হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীত উপক্ষো করে বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষাণ-কৃষানিরা কোমড় বেঁধে পেটের খাবার জোগার করতে ধান চাষের জন্য মাঠে নেমেছেন। মাঠের পর মাঠ জুড়ে কৃষকরা কেউ চারা তুলছেন, কেউ জমি তৈরির কাজ করছেন আবার কেউবা ক্ষেতে পানি সেচের জন্য শ্যালো মেশিন চালু করছেন। বুধবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ আদিবাসী এলাকা ভবানীপুর গ্রামে গিয়ে এমনটাই দেখা গেছে।


উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন জাতের ইরি-বোরা ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ১৬ হাজার ৬’শ হেক্টর এবং এ পর্যন্ত রোপন হয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৪২০ হেক্টর জমি। উপজেলার কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর, গাওকান্দিয়া, চন্ডিগড়, বাকলজোড়া ও কাকৈরগড়া ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামে ধুম পড়েছে বোরো আবাদের। 


গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের কৃষক হযরত আলী বলেন, আগাম বন্যা হওয়ার আশঙ্কায় এবার আগে-ভাগেই ধানের ক্ষেত তৈরী করে চারা রোপন শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত সার, কিটনাশক ও ডিজেলের সমস্যায় পড়তে হয়নি। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ আমাদের এলাকায় বোরো আবাদ ভালো করার জন্য সব সময়ইা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। অত্র এলাকায় গত আমন ফসল বাম্পার হওয়ায় খুব আগ্রহ নিয়ে বোরো আবাদ শুরু করেছি। আশা করছি বোরো আবাদও বাম্পার ফলন হবে।    


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন জাতের ইরি-বোরা ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ১৬ হাজার ৬’শ হেক্টর এবং এ পর্যন্ত রোপন হয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৪২০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে হাইব্রীড ধান ১০ হাজার হেক্টর এবং উচ্চ ফলনশীল উপসী ধান আবাদে আগ্রহ প্রকাশ করছেন কৃষকরা।


এবার শীত মৌসুমে শৈত্য প্রবাহ, ঘনকুয়াসা ও কনকনে শীতের মধ্যেও বীজ তলার কোন ক্ষতি হয়নি। কনেকনে শীতকে উপেক্ষা করে কৃষকরা আপন গতিতে মাঘের শুরুতেই বীজতলা রোপন শুরু করেছেন। ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ইরি বোরো চারা রোপনের লক্ষ্য মাত্রা শেষ করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন’।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Bottom