আইইবির ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইঞ্জিনিয়ার্স ডে শনিবার - Purbakantho

শিরোনামঃ

শনিবার, ৭ মে, ২০২২

আইইবির ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইঞ্জিনিয়ার্স ডে শনিবার

ঢাকা: প্রকৌশলীদের পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ আগামীকাল শনিবার। গত দুই বছর কোভিডের কারণে এই দিবস ভার্চুয়ালি পালন করা হলেও এবার আগের বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় দিবসটি ঘিরে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সংগঠনটি।

দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুজিববর্ষ ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। এ অনন্য অর্জনে প্রকৌশলীদের অবদান রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও তার বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণে এবং খাদ্য জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জনে প্রকৌশলীদের আরো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।’

২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রকৌশলীরা মূখ্য ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে দেশে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলি টানেল, এল এনজি টার্মিনাল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, ১০০টি বিশেষ অঞ্চলসহ সড়ক, রেল, নৌ ও যোগাযোগ অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এ সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে প্রকৌশলীগণই মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সরকার সবসময়ই প্রকৌশলীদের পাশে রয়েছে। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা আইইবি ভবন নির্মাণের জন্য রমনায় ১০ বিঘা জমি রেজিষ্ট্রেশন করে দিয়েছি। এ ছাড়া ভবনের কাজ শুরু করার জন্য পাঁচ কোটি টাকা, দাউদকান্দিতে ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ নির্মাণের জন্য ৭২ বিঘা জমি, স্টাফ কলেজের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য ৪৬ কোটি টাকা, খুলনা কেন্দ্রের জন্য কেডিএ এর জায়গা বরাদ্দ, পূর্বাচলে আইইবি’র জন্য ২ বিঘা জমি, রাঙ্গাদিয়া, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, দিনাজপুর কেন্দ্র এবং ফেনী ও কক্সবাজার উপকেন্দ্রের জন্য জমি প্রদান করেছি। আইইবি ভবনের জন্য সর্বমোট ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনেও প্রকৌশলীগণ অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকৌশলীরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।’

তিনি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

‘উন্নত জগত গঠন করুন’ এ সুমহান আদর্শ সামনে রেখে জাতীয় উন্নয়ন তথা দেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ১৯৪৮ সালের ৭ মে ইনস্টিটিউশন যাত্রা শুরু করে।

ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উপলক্ষে ৭ মে জাতীয় দৈনিকে ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। এ ছাড়াও আইইবির বিভিন্ন প্রকৌশল বিভাগ, কেন্দ্র/উপকেন্দ্র এবং ওভারসীস চ্যাপ্টারসমূহে মাসব্যাপী ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ `এর কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে।,

কর্মসূচি বিষয়ে এরইমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আইইবি নেতারা। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী এস. এম. মনজুরুল হক মঞ্জু, সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রনক আহসান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, `সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবুল কালাম হাজারী, সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী প্রতীক কুমার ঘোষ।,



from Sarabangla https://ift.tt/80iyCtW

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন