শিরোনাম :

10/trending/recent

Hot Widget

অনুসন্ধান ফলাফল পেতে এখানে টাইপ করুন !

জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আহ্বান

ঢাকা: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২২ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য আরও বেশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতিসংঘের মূলধন উন্নয়ন তহবিল (ইউএনসিডিএফ) এবং স্থানীয় জলবায়ু অভিযোজন সুবিধা  (LoCAL) বিমা, জলবায়ু বন্ড, পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা, পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে মিশ্র জলবায়ু অর্থায়নের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়নের উপকরণ অন্বেষণ করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউএনসিডিএফ আয়োজিত লোকাল ক্লাইমেট অ্যাডাপটিভ লিভিং ফ্যাসিলিটি শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সরকার বর্তমানে আমাদের বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৬ থেকে ৭ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে ব্যয় করছে। এই পরিমাণের ৭৫ শতাংশের বেশি দেশীয় উৎস থেকে অর্থায়ন করা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বাড়বে।

তিনি বলেন, ২০৫০ সাল নাগাদ ঘূর্ণিঝড় বেড়ে গেলে আমাদের অভিযোজন খরচ অনুমান করা হয়েছে ৫৫ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। এক্ষেত্রে বার্ষিক পুনরাবৃত্ত ব্যয় হবে ১১২ মিলিয়ন ডলার। আর অভ্যন্তরীণ মৌসুমী ব্যয় অনুমান করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের উচ্চ ব্যয় কল্যাণ, আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য নিরসন কর্মসূচির জন্য আমাদের বরাদ্দকে প্রভাবিত করবে।

শাহাব উদ্দিন বলেন, আমাদের দীর্ঘমেয়াদি বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নে ২৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে এবং ২০১৮ থেকে ২০৪০ সময়ের মধ্যে আমাদের প্রয়োজন ৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। আমরা প্রতি বছর সবুজ জলবায়ু তহবিল থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সংস্থানের পরিকল্পনা করছি। বাকি অর্থ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী, বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাতের কাছ থেকে পাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা) থেকে উত্তরণের জন্য অভ্যন্তরীণ সরকারি ও ব্যক্তিগত উৎসগুলোতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল প্রবেশ করার জন্য আমাদের আরও সুযোগের অনুসন্ধান করতে হবে। ইউএনসিডিএফ ও আমাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে স্থানীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। `এই প্রোগ্রামটি জলবায়ু অভিযোজিত কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় সরকারকে অনুদান স্থানান্তর করতে সহায়তা করছে।,

অধিবেশনে ইউএনসিডিএফের নির্বাহী সেক্রেটারি প্রীতি সিনহা ছাড়াও স্বল্পোন্নত দেশ, সিআইডিএস ও আফ্রিকান দেশগুলোর মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। `সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে অন্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল এবং মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব কবিরুজ্জামান চৌধুরী।,



from Sarabangla https://sarabangla.net/post/sb-671182/

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad