শিরোনাম :

10/trending/recent

Hot Widget

অনুসন্ধান ফলাফল পেতে এখানে টাইপ করুন !

‘দূতাবাসে বেশি অভিযোগ আসে পাসপোর্ট নিয়ে’

ঢাকা: বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোতে প্রবাসীদের অভিযোগের বড় একটি অংশই পাসপোর্ট সংক্রান্ত বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, পাসপোর্টের সব বায়োমেট্রিক ইনফরমেশন দূতাবাস গ্রহণ করে ঢাকায় পাসপোর্ট অধিদফতরে পাঠায়। সেখানে যাচাই-বাছাই করতে সময় লাগে। ফলে যথাসময়ে সেবা গ্রহণকারীদের পাসপোর্ট দেওয়া যায় না। এ বিষয়টির উন্নয়ন দরকার।

রোববার (১২ জুন) বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদে এ তথ্য দেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় দূতাবাসগুলোর সেবার মান বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সেবার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে সেবাদান কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। দূতাবাসগুলোতে আসা সেবাপ্রত্যাশী প্রবাসীদের জন্য উন্নতমানের অপেক্ষা কক্ষ, পানির সুব্যবস্থা, ফ্রি ওয়াইফাই ও উন্নত টয়লেট সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।,

সেবাপ্রত্যাশীদের মানসম্পন্ন সেবা দিতে যেসব সেবা চালু করা হয়েছে সেগুলোর কথাও তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, ২৪ ঘণ্টার হটলাইন সুবিধা চালু করা হয়েছে। দূতাবাস ও my.gov ডিজিটাল সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে মোবাইল ফোন থেকেই যথাক্রমে ৩৪ ও বং ৬৮ ধরনের সেবা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোভিডের সময়ে অনলাইন মেডিকেল সেবা দেওয়া হয়েছে। ই-পাসপোর্ট ও এনআইডি সেবা চালু করা হয়েছে। এয়ারপোর্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ইমিগ্রেশনের পর স্ক্যানিংয়ে হয়রানি বন্ধের সুপারিশ রয়েছে। অভিযোগ বাক্স চালু করা হয়েছে। প্রবাসী ডায়াসপোরার সঙ্গে মাসিক সংলাপ চালু করা হয়েছে। প্রতিটি মিশনে মুজিব কর্নার চালু করা হয়েছে। অনলাইনে সেবা দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতি চালু করা হয়েছে, যার ৫ নম্বর অংশেই রয়েছে মানসম্পন্ন সেবাদানের বিষয়টি। প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করতে জনকূটনীতি চালু করা হয়েছে। এছাড়া নির্যাতনের শিকার নারী কর্মীদের সাহায্যের জন্য বিদেশে রিহ্যাব হোম চালু রয়েছে।,

ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন— কর্মহীন ও দুঃস্থ প্রবাসীদের জন্য ওষুধ, খাবার ও পোশাক সরবরাহ; নগদ অর্থ সহায়তা; প্রবাসীদের আইনি সহায়তা; অসুস্থ ও মৃত প্রবাসীদের সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিভিন্ন মিশনের মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দ; এবং পরামর্শ সেবা আয়বর্ধক কাজে নিযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অনিয়মিত কাজে নিযুক্ত, স্বল্প আয়ের কর্মে নিযুক্ত ও বেকার প্রবাসীদের আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেশন ও উচ্চ জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মিতভাবে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা নিয়োগ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় শ্রেণির (১০ম গ্রেড) কর্মকর্তা নিয়োগও চলমান রয়েছে।,

দূতাবাসগুলোর মূহের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য উদ্যোগের কথাও সংসদে তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন শ্রেণির ক্যাডার কর্মকর্তারা মিশনগুলোতে কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ছাড়াও ৪০টি বাংলাদেশ মিশন থেকে সমবর্তী দায়িত্বের (Concurrent Accreditation) মাধ্যমে আরও ১১৩টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে চলছে। ফলে মিশনগুলোর কূটনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কনস্যুলার পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।,

মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১২ বছরে ২৪টি নতুন মিশন স্থাপন করা হয়েছে। আরও ১৭টি মিশন স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের আরও ৬৩টি অনারারি কনস্যুলেট আছে, যেখানে প্রতিনিয়ত কূটনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি সেবামূলক কাজ করতে হয়। ‘ফলে মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরের সঙ্গে মিশনগুলোর কাজের পরিধি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।,

from  Sarabangla https://ift.tt/E0V61Pk

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad