বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান - Purbakantho

শিরোনামঃ

রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা অর্জনের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে।

শনিবার (১৮ জুন) কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) সহযোগিতায় নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’ শিরোনামের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একসময় তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে, সমস্ত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে, বর্তমানে ৪২তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে । ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি হবে।

একসময় খাদ্য ও সাহায্য নির্ভরতার জন্য পরিচিত বাংলাদেশ এখন শুধু খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় বরং ধান, শস্য, শাকসবজি, কিছু ফলমূল এবং মিঠা পানির মাছের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারীও বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ও ভারত গত এক দশকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন ড. মোমেন। তিনি বলেন, উভয় দেশের জনগণের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একে অপরের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বাংলাদেশের মোংলা ও মিরসরাইয়ে দু’টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করার জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের নিজের গণ্ডির বাইরে দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

এ সময় তিনি ইউরোপের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ও বিশ্বে চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতায় কূটনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে অর্থনৈতিক কূটনীতির বিষয়টি তোলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ড. মোমেন বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) হতে যাওয়া বাংলাদেশ ও ভারতের দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যৌথ সভাপতিত্বে ৭ম জেসিসি বৈঠকে যোগ দিতে আজ বিকেলে নয়াদিল্লি পৌঁছান।

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা অর্জনের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে।

শনিবার (১৮ জুন) কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) সহযোগিতায় নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’ শিরোনামের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একসময় তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে, সমস্ত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে, বর্তমানে ৪২তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে । ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি হবে।

একসময় খাদ্য ও সাহায্য নির্ভরতার জন্য পরিচিত বাংলাদেশ এখন শুধু খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় বরং ধান, শস্য, শাকসবজি, কিছু ফলমূল এবং মিঠা পানির মাছের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারীও বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ও ভারত গত এক দশকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন ড. মোমেন। তিনি বলেন, উভয় দেশের জনগণের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একে অপরের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বাংলাদেশের মোংলা ও মিরসরাইয়ে দু’টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করার জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের নিজের গণ্ডির বাইরে দৃষ্টি দেওয়া উচিত।,

এ সময় তিনি ইউরোপের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ও বিশ্বে চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতায় কূটনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে অর্থনৈতিক কূটনীতির বিষয়টি তোলে ধরেন।,

উল্লেখ্য, ড. মোমেন বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) হতে যাওয়া বাংলাদেশ ও ভারতের দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যৌথ সভাপতিত্বে ৭ম জেসিসি বৈঠকে যোগ দিতে আজ বিকেলে নয়াদিল্লি পৌঁছান।,

from  Sarabangla  https://ift.tt/xVPyajg

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন