ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ দেশে আসবে সোমবার - Purbakantho

শিরোনামঃ

শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২

ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ দেশে আসবে সোমবার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ সোমবার (২৫ জুলাই) দেশে পৌঁছাবে। ওইদিন সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে আনার কথা রয়েছে। শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার দপ্তরের গণসংযোগ অফিসার স্বপন কুমার বিশ্বাস।

তিনি আরও জানান, ২৪ জুলাই নিউইয়র্ক জামাইকা মুসলিম সেন্টারে ডেপুটি স্পিকারের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দেশে আনার পরে প্রথম জানাজা সংসদ ভবন ও পরের জানাজা সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


এর আগে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। প্রায় ৯ মাস ধরে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।


এদিকে গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।,


এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।,


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।,


বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে। ১৯৫৮ সালে অষ্টম শ্রেনিতে পড়া অবস্থায় তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ওই বছর আইয়ুব খান পাকিস্তানে মার্শাল ল' চালু করেছিলেন। আওয়ামী লীগ নেতা চাচার সঙ্গে তিনি মার্শাল ল' বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন করেছিলেন।,


১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া যুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেন।,


১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ফজলে রাব্বী মিয়া। এর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হন। তবে ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দশম সংসদে তিনি ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একাদশ সংসদেও একই দায়িত্ব পালন করছিলেন ফজলে রাব্বী মিয়া।,


from Sarabangla https://ift.tt/x2lEbvN

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন