ইদগাহে ফজলে রাব্বী মিয়ার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত - Purbakantho

শিরোনামঃ

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২

ইদগাহে ফজলে রাব্বী মিয়ার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার প্রথম নামাজে জানাজা রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ইদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সাতবারের এই সংসদ সদস্যকে দেওয়া হয় সংসদীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার। এ সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। জানাজার নামাজে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি ও সংসদ সদস্যরা।,

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় ইদগাহে আনা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। জানাজা শেষে ইদগাহ ময়দানে উপস্থিত হন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমীন। এছাড়াও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।,


জানাজা শেষে মরদেহ রাখা হয় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য।


জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তার মরদেহ বিমানবন্দর থেকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হবে সকাল সাড়ে ১০টায়। সেখানে জানাজা শেষে সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে।,


দুপুর ১২টায় ফজলে রাব্বীর মরদেহ তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর নেওয়া হবে। দুপুর ১টায় হেলিকপ্টারযোগে মরদেহ নেওয়া হবে তার নিজ জেলা গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে।,


বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাঘাটা উপজেলাধীন পটিয়া নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে সাতবারের এই সংসদ সদস্যকে।,


এর আগে শুক্রবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টায় (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।,


বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে। ১৯৫৮ সালে অষ্টম শ্রেনিতে পড়া অবস্থায় তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ওই বছর আইয়ুব খান পাকিস্তানে মার্শাল ল' চালু করেছিলেন। আওয়ামী লীগ নেতা চাচার সঙ্গে তিনি মার্শাল ল' বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন করেছিলেন।,


১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া যুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেন।,


১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ফজলে রাব্বী মিয়া। এর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হন। তবে ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দশম সংসদে তিনি ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একাদশ সংসদেও একই দায়িত্ব পালন করছিলেন ফজলে রাব্বী মিয়া।,


from Sarabangla https://ift.tt/386NtpX

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন