রেলওয়ের কাছে পদ্মা সেতু হস্তান্তর, কাজ শুরু জুলাইয়ের শেষে - Purbakantho

শিরোনামঃ

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২

রেলওয়ের কাছে পদ্মা সেতু হস্তান্তর, কাজ শুরু জুলাইয়ের শেষে

ঢাকা: রেললাইন বসানোর জন্য রেলওয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতু হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার (১৭ জুলাই) সকালে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের কর্মকর্তাদের কাছে পদ্মা সেতু হস্তান্তর করেন। এর মধ্য দিয়ে সেতুর নিচের অংশে রেললাইন স্থাপনের অনুমতি পেল বাংলাদেশ রেল।

রোববার সকালে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলীরা উভয় সেতুর নিচের অংশে পরিদর্শন করেন। এরপর সেতু রেলের কাছে হস্তান্তর করে পদ্মা বহুমুখী সেতু কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের পরিচালক মো. আফজাল হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, রোববার রেললাইন স্থাপনের জন্য সেতু বুঝিয়ে দিতে শুরু করেছে। বিষয়টি আসলে একদিনের নয়। এতে অন্তত তিন থেকে চারদিন সময় লাগবে। এরপর আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব যে, সেতুর ওপর দিয়ে গাড়ি চলাচলে কোনো ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয় কি না। আর তাতে রেললাইন স্থাপনের কাজে অসুবিধা হয় কি না। এ সকল বিষয় দেখার পরেই লাইন স্থাপনের কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এতে করে পুরোপুরো কাজ শুরু হতে চলতি জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যাবে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার লাইন স্থাপনে ছয় মাসের মতো সময় লেগে যাবে। সে হিসাবে আমরা আগামী বছরের জানুয়ারিতে পুরো লাইন বসানোর কাজ শেষ করতে পারব।,

সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের মধ্যে থাকা এই প্রকল্পটি মোট তিন ভাগে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা থেকে মাওয়া, দ্বিতীয় অংশ মাওয়া থেকে ভাঙা আর তৃতীয় অংশ ভাঙা থেকে যশোর পর্যন্ত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাওয়া থেকে ভাঙা অংশ শুরু হবে আগে, ঢাকা থেকে মাওয়া পরে এরপরে ভাঙা থেকে যশোর। এ কাজের মাওয়া থেকে ভাঙা পর্যন্ত অগ্রগতি ৮০ শতাংশ, ঢাকা থেকে মাওয়ার অগ্রগতি ৬০ শতাংশ এবং ভাঙা থেকে যশোর পর্যন্ত ৫১ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।,

সব মিলিয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে জানুয়ারিতে কাজ শেষ হবে মাওয়া থেকে ভাঙা পর্যন্ত, ২০২৩ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা থেকে মাওয়া অংশ এবং ভাঙা থেকে যশোর পর্যন্ত অংশের কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালের জুনে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাঙা পর্যন্ত রেললাইন নির্মিত হলে ঢাকা থেকে ফরিদপুর রাজবাড়ী হয়ে খুলনা, যশোর, দর্শনা, বেনাপোল পর্যন্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত নতুন লাইন যেটি আসছে জানুয়ারির মধ্যে চালু হয়ে যাবে, তা মংলা পর্যন্ত চালানো সম্ভব হবে।

এর আগে, গত ২৫ জুন ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাড়ি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতু।,

from Sarabangla https://ift.tt/BVtuJZX

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন