নেত্রকোনা-৫ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার
দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতা আবু তাহের তালুকদার বর্তমানে পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী করায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞ ও ত্যাগী এই নেতার নেতৃত্বে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।
আবু তাহের তালুকদারের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে। ১৯৭৯ সালে তিনি নেত্রকোণা জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক, নেত্রকোণা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি নেত্রকোণা জেলা ছাত্রঐক্যের আহ্বায়ক হিসেবেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
জেলা বিএনপির রাজনীতিতে তিনি তিনবার সাধারণ সম্পাদক এবং একবার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৫ সালে তিনি পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।
দলীয় আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে তিনি হামলা, মামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন। ২০১৩ সালে হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। এছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ২০২৩ সালে নির্বাচন বর্জনের দাবিতে কর্মসূচির সময় তার বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। দলীয় সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে, যেগুলো মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় আবু তাহের তালুকদার বলেন, “কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের আস্থা ও ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শেষ পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাব। ব্যক্তিগত ভেদাভেদ ভুলে এক পতাকার নিচে, এক প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাই। আজ ব্যক্তি নয়, গ্রুপ নয়—আমাদের পরিচয় বিএনপি ও ধানের শীষ। ইনশাআল্লাহ, ‘ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমাদের লক্ষ্য অর্জিত হবে।,’

