শিরোনাম:
লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
লোড হচ্ছে...
নাগরিক সংবাদ

আপনার এলাকার খবর আমাদের কাছে পাঠান!

আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, ছবি বা ভিডিও আমাদের পাঠান।

খবর পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পূর্বধলায় আলোচিত কাকন হত্যা মামলার আসামি ঢাকার বসুন্ধরা থেকে গ্রেপ্তার

নেত্রকোণার পূর্বধলার আলোচিত কাকন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি আব্দুর রশিদ (৩৩)কে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্বধলা
প্রকাশঃ
জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন

পূর্বধলা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নেত্রকোণার পূর্বধলার আলোচিত কাকন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি আব্দুর রশিদ (৩৩)কে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্বধলা থানা পুলিশ।

রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


পুলিশ জানায়, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে টানা দুই দিনের অভিযানের পর ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার কে-ব্লকের ২২ নম্বর সড়ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রশিদ পূর্বধলা উপজেলার দাপুনিয়া সেহড়া ডুয়ারী গ্রামের হাছেন আলীর ছেলে।

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিপিএম-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানার সেকেন্ড অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম, এএসআই আনোয়ার হোসেন, কনস্টেবল নাহিদ হাসান খান এবং এলআইসি নেত্রকোণার এএসআই (নিরস্ত্র) মো. আবুল হোসেন অংশ নেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাকন মিয়া স্থানীয় দাপুনিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে খেলন মিয়ার বাড়ি-সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জেরে একদল ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের বোনজামাই মাসুদ আল মামুন বাদী হয়ে আব্দুর রশিদসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলার অন্যান্য আসামিদের আগেই গ্রেপ্তার করা হলেও আব্দুর রশিদ ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে যান। তদন্তে জানা যায়, তিনি সিলেট, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করেন এবং গ্রেপ্তার এড়াতে নিয়মিত মোবাইল ফোন ও সিম পরিবর্তন করছিলেন। 

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে শেষ পর্যন্ত রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন