মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্রতর: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর পাল্টা হুমকি
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা এসব স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ কারণে শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরই নয়, বরং এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসকারী সাধারণ মানুষকেও নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস কমান্ডার Seyed Majid Mousavi সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কঠোর বার্তা দেন। তিনি বলেন, “তোমরা আবারও আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছ। বিশ্ব দেখেছে, তোমরাই আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছ এবং অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছ।”
তিনি আরও বলেন, “এবার আর প্রতিক্রিয়া ‘চোখের বদলে চোখ’ হবে না। অপেক্ষা করো—দেখা যাবে কী হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত এলাকা ত্যাগ করা উচিত।”
এদিকে ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, Ardakan শহরের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরও কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়েনি। উল্লেখ্য, ওই স্থাপনায় ‘ইয়েলোকেক’ উৎপাদন করা হতো, যা ইউরেনিয়ামের একধরনের ঘনীভূত গুঁড়া। এটি প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগে রূপান্তর করা যায় এবং পরবর্তীতে সমৃদ্ধ করে পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়।
এই হামলা ও পাল্টা হুমকির ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

