মদনে স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিল স্বামী
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামে এক নার্সের হাত ও পায়ের রগ কেটে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী আরিফুল ইসলামকে পুলিশ আটক করেছে।
পুলিশ ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আরিফুল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় এবং মারুফা আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকায়। প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। দম্পতির সাত বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
প্রায় ছয় মাস আগে মারুফা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। এরপর থেকে তারা পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে আরিফুল ইসলাম তার স্ত্রী মারুফা আক্তারের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম দাবি করেন, “কলেজ জীবন থেকে তাকে লেখাপড়া করিয়েছি। কিন্তু দিন দিন তার নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছিল। অতিষ্ঠ হয়ে আমি এই কাজ করেছি।”
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূরুল হুদা খান পূর্বকন্ঠকে জানান, “আহত নার্স মারুফাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “খবর পেয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন