শিরোনাম:
শিরোনাম লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
লোড হচ্ছে...

পূর্বধলায় শিশু বলাৎকারের অভিযোগে ফার্মেসি মালিক গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ১৩ বছর বয়সী ওষুধের দোকানের এক শিশু শ্রমিককে বলাৎকারের অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল (৫৩) নামের এক ফার্মেসি মালিককে গ্রেপ্ত
প্রকাশঃ
০ জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন

শফিকুল আলম শাহীন : নেত্রকোনার পূর্বধলায় ১৩ বছর বয়সী ওষুধের দোকানের এক শিশু শ্রমিককে বলাৎকারের অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল (৫৩) নামের এক  ফার্মেসি মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের জালশুকা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দুলাল ওই জালশুকা গ্রামের মৃত কাসেম মাস্টারের ছেলে ও স্থানীয় মা ফার্মেসি নামের এক ওষুধের দোকানের মালিক। এ ঘটনায় রোববার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটিও একই এলাকার বাসিন্দা। সে অভিযুক্ত দুলালের মা ফার্মেসিতে কাজ করত। গত ১৮ অক্টোবর রাতে কাজ শেষে শিশুটি অভিযুক্তের বাড়িতে যায়। সেখানে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।

রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে দুলাল শিশুটিকে ডেকে নিজের শোবার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন । পরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়।

ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ লোকজন ফার্মেসিতে ভাঙচুর করেন এবং নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে উপজেলার শ্যামগঞ্জ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

রাতেই ঘটনাস্থলে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় অভিযুক্ত দুলালকে আটক করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

ইউএনও মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই তিনি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পূর্বধলা থানার মামলা নং ২৭ তাং১৯/১০/২০২৬ ইং ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (১) বলৎকার।  গ্রেপ্তারকৃত দুলালকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন