পূর্বধলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফার ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মপরে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে সাংসদের সহকারী আল আমিনের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত জনতার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উপস্থিত জনতা এমপির গাড়ি ভাঙচুর করে ।
তিনি আরও বলেন, ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬৩ জনের নামে যে মামলা করা হয়েছে, তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
ঘটনার সময় আবু তাহের তালুকদার ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, যা সহজেই যাচাইযোগ্য। তবুও তাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি বিএনপি নেতাদের।
এছাড়া মামলার কয়েকজন আসামির বিষয়ে বিএনপি নেতারা বলেন, ৪৭ নম্বর আসামি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বকর রানা গত প্রায় তিন মাস ধরে ময়মনসিংহের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ২২ নম্বর আসামি মানিক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং ৫৯ নম্বর আসামি আব্দুল্লাহ সাকিব ঘটনাস্থলে একজন সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংগ্রহে উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলন থেকে বিএনপি চার দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলো হলো- ১. দায়ের করা মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার ২. নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা ৩. নিরীহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধ করা এবং ৪. রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড পরিহার করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ বাবুল তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন ফকির, সায়েদ আল মামুন শহীদ ফকির, সেলিম উদ্দিন, আব্দুল গফুর, শামছুল হক মন্ডল, উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি আবুল কাসেম, বিএনপি নেতা ফরিদ আহমেদ এবং যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবুল মনসুর খোকনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন